• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১১:৫৪ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
ড্রাম ট্রাকের পেছনে যাত্রীবাহি বাসের ধাক্কা, নিহত ৩ সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার জয়পুরহাটে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত কারাগারে নেওয়ার সময় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান: পুলিশ আহত মাদকের টাকার জন্য বাবাকে পিটিয়ে হত্যা, ছেলে পলাতক আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিল পুলিশ সদর দপ্তর

‘কেউ আমার লাশ পাইলে ফোন দিয়েন বাসায়’

সিসি নিউজ।। ‘কেউ আমার লাশ পাইলে ফোন দিয়েন বাসায়’ মুঠোফোনের নাম্বারসহ চিরকুট লিখে ট্রেনের নিচে ঝাঁপ দিয়ে আত্মহত্যা করেছে শান্ত রায় (১৬)।

নিহত শান্ত রায় নীলফামারীর সৈয়দপুর উপজেলার বোতলাগাড়ী ইউনিয়িনের সোনাখুলি গ্রামের সাগর রায়ের ছেলে। সে সৈয়দপুর বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড উচ্চ বিদ্যালয়ের ২০২৩ সালের এসএসসি পরীক্ষার্থী ছিল।

আজ রোববার দুপুর ১২টার দিকে সৈয়দপুর ওয়াপদা মোড় সংলগ্ন রেলগেটে এ ঘটনা ঘটে।

পরিবার ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, শান্ত রায় এবার নির্বাচনী পরীক্ষায় অংশ নিয়ে তৃতীয় স্থান অর্জন করে। সে ২০২৩ সালে এসএসসি পরীক্ষার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছিল। আজ রোববার সকালে সে স্কুলে আসার উদ্দ্যেশ্যে বাড়ি থেকে বের হয়ে আসে।

দুপুরের দিকে সে উল্লেখিত এলাকায় রেললাইনের পাশ দিয়ে হাঁটছিল। এ সময় রাজশাহী থেকে চিলাহাটিগামী আন্তঃনগর তিতুমীর এক্সপ্রেস ট্রেন কাছাকাছি আসলে রেললাইনে ঝাঁপ দেয় সে। এতে ট্রেনে কাটা পড়ে তার দেহ দুই টুকরো হয়ে যায়।

নিহতের বাবা সাগর রায় বলেন, অন্যান্য দিনের মতো স্বাভাবিকভাবেই সে স্কুলে যায়। বাড়িতে তার আত্মহত্যা করার মতো কোনো ঘটনাই ঘটেনি।

সৈয়দপুর বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নাজমুল হুদা জানান, শান্ত অত্যন্ত মেধাবী শিক্ষার্থী ছিল। তার নামের মতোই সে শান্ত প্রকৃতির ছেলে। আজও স্কুলে সে এসেছিল। তাকে দেখে স্বাভাবিকই মনে হয়েছে। কিন্তু কি সে কারণে আত্মহত্যা করল তা আমার জানা নেই।

সৈয়দপুর রেলওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাকিউল আযম বলেন, খবর পেয়ে আমারা ঘটনাস্থলে ছুটে যাই। সেখেনে নিহতের প্যান্টের পকেটে রাখা মুঠোফোনের কভারের ভিতরে থেকে একটি চিরকুট উদ্ধার করি।

চিরকুটে মোবাইল নাম্বারসহ লেখা রয়েছে ‘কেউ আমার লাশ পাইলে ফোন দিয়েন বাসায়’। আমি নিজে স্কুলে গিয়ে তার পরীক্ষার খাতার সাথে চিরকুটের লেখা মিলিয়ে দেখেছি। আমার মনে হয়েছে এটি তার হাতেই লেখা।

তিনি আরও বলেন, পরিবারের পক্ষ্য থেকে কোন অভিযোগ না থাকায় আইনি প্রক্রিয়া শেষে তার মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। তবে আত্মহত্যার সঠিক কারন জানা যায়নি।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

আর্কাইভ